জাতীয়জামালপুরবাংলাদেশ সংবাদরাজনীতিসকল খবর

জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলায় যত্রতত্র চলছে গবাদিপশু জবাই ও বেশী দামে মাংস বিক্রি

%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%2588%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%2595%2B%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25AF%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0%2B%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A7%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%2587%2B%25E0%25A6%25AA%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25A8

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই যত্রতত্র চলছে গবাদিপশু জবাই ও মাংস বিক্রি। এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও কেউ তা মানছে না। পশুর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা না করেই জবাই করা এসব মাংস কিনে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ছে। এসব মাংস খেয়ে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকেই। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের উদাসীনতায় নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ক্রেতাদের সঙ্গে এ প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। জানা গেছে, জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন গবাদিপশু জবাই করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত থাকে। বিভিন্ন এলাকা থেকে কম দামে এসব পশু কিনে জবাই করে মাংস বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা অধিক লাভবান হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পশু জবাইয়ের পূর্বে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা থাকলেও এ ব্যাপারে তারা উদাসীন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ঠিকমত নজরদারি করছেন না অথবা নানা অযুহাতে এড়িয়ে যাচ্ছেন। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নোংরা পরিবেশে কসাইরা গবাদিপশু জবাই করছে। জবাইকৃত পশুর বেশিরভাগই রোগাক্রান্ত গাভী। স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে অনেক কসাইরা জানান, শুনেছি পশু হাসপাতালের ডাক্তাররা গরু-ছাগল জবাই করার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন, কিন্তু এখানে কোনো ডাক্তার আসেন না। পৌরসভা থেকে শুরু করে উপজেলার প্রতিটি বাজারে একই চিত্র।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button