আন্তজার্তিকবিনোদন

তদন্তে সাহায্য করতে মিঠুনকে আদালতের নির্দেশ

%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%2587%2B%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25AF%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25AF%2B%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%2587%2B%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25A0%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2587%2B%25E0%25A6%2586%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0%2B%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B6

অনলাইন ডেস্ক ।।

বলিউড তারকা মিঠুন চক্রবর্তীকে হিংসায় মদদ দেওয়ার অভিযোগের তদন্তে পুলিশকে সাহায্য করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। গতকাল শুক্রবার মিঠুনের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের করা মামলা খারিজের শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট এই রায় দেয়।

মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর বিরুদ্ধে করা তৃণমূল কংগ্রেসের মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তাঁর আইনজীবী মামলাটি খারিজের জন্য কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন। গতকাল শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এর শুনানি হয়। শুনানির পর বিচারপতি নির্দেশ দেন মিঠুন চক্রবর্তীকে হিংসায় মদদ দেওয়ার অভিযোগের তদন্তে পুলিশকে সাহায্য করতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী শুক্রবার।

শুনানিতে বিচারপতি বলেন, পরবর্তী শুনানির দিন মিঠুনের আদালতে হাজির না হলেও চলবে। তবে তদন্তে পুলিশকে সার্বিক সাহায্য করতে হবে। প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পুলিশ জিজ্ঞাসা করতে পারবে। এ জন্য মিঠুনকে তাঁর ই-মেইল আইডি দিতে বলা হয়।

মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কলকাতার মানিকতলা থানায় এফআইআর দায়ের করে তৃণমূল কংগ্রেস। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে মিঠুন বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন। সেসময় তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন—গত ৬ মে থানায় এমন অভিযোগ করে তৃণমূল।

অভিযোগে তৃণমূল বলেছে, মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপির প্রচারে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। হিংসায় মদদ দেন। বিশেষ করে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে এই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট ও শান্তিভঙ্গের চেষ্টা চালান। এমনকি বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ান।

মিঠুন চক্রবর্তীর আইনজীবী বিকাশ সিং বলেন, রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করতেই মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। তিনি আরও বলেন, মিঠুন চক্রবর্তীর সংলাপে যদি নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ হতো, তাহলেতো নির্বাচন কমিশনই মিঠুনের বিরুদ্ধে নোটিশ দিত। কিন্তু নির্বাচন কমিশন থেকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি মিঠুন চক্রবর্তীকে।

আইনজীবী বিকাশ সিং বলেন, নিজের অভিনীত ছবির সংলাপ তিনি ভোটের ময়দানে ব্যবহার করেছেন। যে সংলাপ সেন্সর বোর্ড আগেই অনুমোদন করেছেন। তাই এই অভিযোগও ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক। মিঠুন চক্রবর্তী যখন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন তখনো তিনি এই সংলাপগুলো ব্যবহার করেছিলেন।

ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী গত ৭ মার্চ কলকাতার মোদির ব্রিগেড সমাবেশে মোদির হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তখন মিঠুন দর্শকেরা তাঁর কাছ থেকে সংলাপ শোনার আবদার করলে, মিঠুন তা শুনিয়ে দেন—‘মারব এখানে, লাশ পড়বে শ্মশানে।’ এরপর মিঠুন বলেন, এবার আমি নতুন আরেকটি সংলাপ শোনাব, ‘আমি জলঢোরা নই, বেলেবোরাও নই, আমি জাত গোখরো, এক ছোবলেই ছবি।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button